বইটির বিবরণ
এই গল্প শুরু হয় বিজয় আর জয়াকে নিয়ে। মেঘনা পাড়ের দু' ভাই-বােন। নদীর পাড়েই ওদের একচালা টিনের ঘর। বাবা রাতভর মাছ ধরে নদীতে। মা যে কোথায় হারিয়ে গেছে কেউ জানে না। এক সকালে দু ভাই-বােনের সাথে দেখা হলাে এক মৎস্যকুমারীর। ওদেরকে হারিয়ে যাওয়া মা ও দারুণ সম্পর্কের গল্প শােনায় মৎস্যকুমারী। তারপর দু' ভাই-বােনকে পিঠে নিয়ে সে চলে যায় সমুদ্রের গভীরে এক আশ্চর্যনগরীতে । কী আছে সেই নগরীতে? রূপকথার আবরণে মােড়া এ এক অবাক-করা নগরীর গল্প। যেখানে কেউ ছােট নয়, কেউ বড় নয়। সবাই যেখানে মিলেমিশে থাকে। সবার শ্রমের ফসল সকলে মিলে ভােগ করে। আশ্চর্য নগরীতে গিয়ে বিজয় আর জয়া বুঝতে শেখে জীবনজয়ের মন্ত্র। রূপকথার রেখাচিত্রের মধ্যে দিয়ে চমৎকার মিথ ব্যবহার করে লেখক একটি মানবিক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাতে চেয়েছেন এই প্রজন্মের শিশু-কিশােরদের।
লেখকের পরিচিতি

জন্ম ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নীলফামারীর সৈয়দপুরে। পিতা সিরাজুল হক ভূঁইয়া এবং মাতা সালমা বেগম। পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। ছোটোবেলা থেকেই লেখালিখি তাঁর প্রথম আগ্রহ। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত নিয়মিত লেখালিখি করেছেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্রিকায়। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে পুরোদমে প্রকাশনা শিল্পে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকাশনা সংস্থা পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং প্রকাশক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
তাঁর প্রকাশিত কবিতার বই এলোমেলো দুঃখগুলো (১৯৯৮), শিশুতোষ বই জেমি ও জাদুর শিমগাছ (২০১০) এবং মৎস্যকুমারী ও এক আশ্চর্য নগরী (২০২০)।
মুদ্রণশৈলী: নান্দনিক প্রকাশনার নির্দেশিকা (২০১৮); পাণ্ডুলিপি: প্রস্তুতকরণ, সম্পাদনা, প্রুফরিডিং (২০১৮) এবং পুস্তক: উৎপাদন ব্যবস্থাপনা (২০২০) লেখকের প্রকাশনা বিষয়ক সিরিজের তিনটি বই।