বইটির বিবরণ
হাজার বছর আগের ইংল্যান্ড। রাজা সিংহহৃদয় রিচার্ডের সাথে ধর্মযুদ্ধে অংশগ্রহণের পর স্বদেশে ফিরে এসেছেন বীর যোদ্ধা আইভানহো, তবে ছদ্মবেশে। কারণ রোয়েনা নামে এক পরমাসুন্দরীকে বিয়ে করতে চাওয়ায় পিতা সেড্রিক ত্যাজ্য করেছেন তাঁকে। আইভানহোর প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয় ব্রায়ান ডি-বয়েস-গিলবার্ট, যার ইচ্ছে ধনশালী ইহুদি ইয়র্কের আইজ্যাকের সুন্দরী কন্যা রেবেকাকে বিয়ে করবে। মিত্র হিসেবে কিংবদন্তির বীর রবিন হুডকে পেলেন আইভানহো। জীবন-মরণ লড়াইয়ে মুখোমুখি হলেন ডি-বয়েস-গিলবার্টের সঙ্গে। কে জিতল সেই লড়াইয়ে? স্যার ওয়াল্টার স্কটের অসাধারণ এ উপন্যাস শতাব্দী পর শতাব্দী ধরে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে লাখো পাঠককে।
লেখকের পরিচিতি

স্যার ওয়াল্টার স্কট (জন্ম: আগস্ট ১৫, ১৭৭১, এডিনবার্গ ওল্ড টাউন, এডিনবার্গ, যুক্তরাজ্য মৃত্যু: ২১ সেপ্টেম্বর, ১৮৩২, অ্যাবটসফোর্ড দ্য হোম অফ স্যার ওয়াল্টার স্কট, ইউনাইটেড কিংডম) ছিলেন একজন স্কটিশ ঐতিহাসিক ঔপন্যাসিক, কবি, তাঁর নাটকের অধিকারী।
অনুবাদকের পরিচিতি

মোস্তাক শরীফ জন্ম ১৯৭৪ সালে, ফেনী শহরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর। বর্তমানে একই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পাঠ্যপুস্তক রচনার মাধ্যমে লেখালেখির শুরু; বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানচর্চার ইতিহাস এবং তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে দুটো বই লিখেছেন। প্রথম উপন্যাস সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে অ্যাডর্ন-এর নবীন ঔপন্যাসিকদের প্রথম উপন্যাস প্রকাশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রচিত। এরপর আরও দুটো উপন্যাস এবং একটি অনুবাদগ্রন্থ রচনা করেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকতায় জড়িত এক দশকেরও বেশি সময়। পিএইচডি করেছেন পল্লী উন্নয়নে তথ্যসেবার ভূমিকা নিয়ে। স্ত্রী পলি, পুত্র আরাফ ও কন্যা মাইসারাকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাস।