বইটির বিবরণ
এ গল্পের পটভূমি ফরাসি বিপ্লব। আঠারো বছর বাস্তিল কারাগারে বন্দিদশা কাটিয়ে মুক্তি পেয়েছেন ড. আলেকজান্ডার ম্যানেট। তাঁর মেয়ে লুসি বিয়ে করেছে লন্ডনে বসবাসকারী এক ফরাসি অভিজাত চার্লস ডারনেকে। ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে সাহায্য করার জন্য প্যারিসে পা রেখেই গ্রেফতার হলো ডারনে। শত্রুরা চায় গিলোটিনে তাঁর শিরশ্চেদ করতে। হাজার চেষ্টা করেও ডারনে কাউকে বোঝাতে পারছে না, সে নিষ্পাপ। এমন সময় এগিয়ে এলো সিডনি কার্টন নামে অকুতোভয় এক শুভাকাঙ্ক্ষী। শেষমেশ পারবে কি সে ডারনের জীবন রক্ষা করতে? নাকি বিপ্লবের আগুনে জ্বলেপুড়ে মরবে নিরীহ কয়েকটি প্রাণ?
লেখকের পরিচিতি

চার্লস জন হাফাম ডিকেন্স (জন্ম: ফেব্রুয়ারি ৮, ১৮১২, ল্যান্ডপোর্ট, পোর্টসমাউথ, ইউনাইটেড কিংডম মৃত্যু: ৯ জুন, ১৮৭০, গ্যাডস হিল প্লেস, ইউনাইটেড কিংডম ) একজন ইংরেজ লেখক এবং সামাজিক সমালোচক ছিলেন। তিনি বিশ্বের সেরা কিছু কাল্পনিক চরিত্র তৈরি করেছেন এবং অনেকে তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক হিসাবে বিবেচনা করেন।
অনুবাদকের পরিচিতি

মোস্তাক শরীফ জন্ম ১৯৭৪ সালে, ফেনী শহরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর। বর্তমানে একই বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পাঠ্যপুস্তক রচনার মাধ্যমে লেখালেখির শুরু; বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানচর্চার ইতিহাস এবং তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে দুটো বই লিখেছেন। প্রথম উপন্যাস সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে অ্যাডর্ন-এর নবীন ঔপন্যাসিকদের প্রথম উপন্যাস প্রকাশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রচিত। এরপর আরও দুটো উপন্যাস এবং একটি অনুবাদগ্রন্থ রচনা করেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকতায় জড়িত এক দশকেরও বেশি সময়। পিএইচডি করেছেন পল্লী উন্নয়নে তথ্যসেবার ভূমিকা নিয়ে। স্ত্রী পলি, পুত্র আরাফ ও কন্যা মাইসারাকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাস।