বইটির বিবরণ
সুখ! বড়োই কাম্য এবং লোভনীয় একটি শব্দ। 'লোভনীয়' কারণ তামাম দুনিয়ায় এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর, যে কি না সুখী হতে চায় না। বস্তুত 'সুখে অরুচি' এমন মানুষ সত্যি বিরল। বিরল বলছি অর্থাৎ এমনও কেউ কেউ আছেন যাঁরা আদতেই 'সুখে সুখী' নন! তাঁদের অসুখী হওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই, অথচ তাঁরা দুঃখবিলাসী। সহজ করে বললে, সুখ নিতান্তই মনের ব্যাপার। এর সোজাসাপটা কোনো ফর্মুলা নেই। অনেকে অল্পে খুশি, দিনান্তে দুটো ডালভাত খেয়ে তাঁরা মনের সুখ খুঁজে পান। আবার অনেকের অঢেল থাকা সত্ত্বেও কিছুতেই পরিতৃপ্তি আসে না। এমন বুভুক্ষু স্বভাব তাঁদের সবসময় অসুখী করে রাখে। মহামতি গৌতম বুদ্ধ যথার্থ বলেছেন- ডিজায়ার কিল্স হ্যাপিনেস। যার যত চাহিদা, তার সুখ তত কম। খুব বেশি বুঝলেও বিপদ। ইগনোরেন্স ইজ ব্লিস! হার্ভার্ড স্কলার ও মার্কিন মনস্তত্ত্ববিদ আর্থার সি ব্রুকস সুখের সংজ্ঞায় বলেছেন, 'হ্যাপিনেস ইজ অ্যা চয়েস, অ্যা মাইন্ডসেট, অ্যা ডিসিপ্লিন দ্যাট কামস ফ্রম কনশাস ডেইলি ডিসিশন।'
লেখকের পরিচিতি

অরুণ কুমার বিশ্বাস এক্স-নটরডেমিয়ান, ইংরেজি সাহিত্যে এমএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। লেখালেখির শুরুটা তার কলেজকাল থেকেই। তিনি অসম্ভব প্রাণোচ্ছল একজন মানুষ। ঘুরতে পছন্দ করেন। নতুন দেশ নতুন মানুষ তার আগ্রহের বিষয়। বিভিন্ন দৈনিক ও সাময়িকীতে শিশু-কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, কবিতা, অ্যাডভেঞ্চার, উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দাগল্প। পেশাগত কাজের ফাঁকে (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত কলাম লিখছেন। তিনি আড্ডার আমেজে জম্পেশ গল্পও বলেন। একসময় বিতর্ক করতেন। জীবন সম্পর্কে তিনি রীতিমতো কৌতুহলী। যাপিত জীবনের অলিগলি রাজপথ- সবখানে তার অবাধ বিচরণ। বাস্তবে না হোক, কল্পনায় তো বটেই। রোমাঞ্চকর লেখার বাইরেও তিনি ছোটোগল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস লেখেন। তাঁর জন্ম গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানাধীন জহরের কান্দি গ্রামে। স্ত্রী ডা. তপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার।