বইটির বিবরণ
কাণ্ডজ্ঞান যেখানে বিভ্রান্ত হয়, সাধারণ বিবেচনা দিয়ে যখন কোনো সমস্যার সমাধান করা যায় না, তখনই আসলে প্যারাডক্সের জন্ম হয়। যখন কোনো উত্তর প্রশ্নকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে, কিংবা স্ববিরোধের জন্ম দেয়, সেই প্রশ্নটা আর প্রশ্ন থাকে না। তখন সেটা পরিণত হয় প্যারাডক্সে। প্যারাডক্সের ভালো বাংলা কী, তা নিয়েও বিভ্রান্তি আছে। স্ববিরোধ, বিভ্রম, প্রহেলিকা বা কূটাভাস- কোনোটাই প্যারাডক্সের সঙ্গে জুতসই লাগে না। তানা লাগুক, দিনশেষে পাঠক মগজে শান দেওয়ার কিছু খোরাক পেয়ে যান। আর সেই খোরাকগুলোই গল্পের মোড়কে পাঠকের পাতে তুলে দেওয়ার জন্য এই বইয়ের অবতারণা।
লেখকের পরিচিতি

আবদুল গাফফার রনি জন্ম ৩ ডিসেম্বর, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামে, মাতুলালয়ে। ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় ইছামতীর তীরঘেঁষা শ্যামকুড় গ্রামে তাঁর বেড়ে ওঠা। প্রকৃতির হাতছানিতে বেরিয়ে পড়েন দেশের পথে-প্রান্তরে, সাগরে-পাহাড়ে, জঙ্গলে। ভালোবাসেন বই পড়তে, গান গাইতে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল আর পথিক গুহকে আইডল মেনে লিখে যাচ্ছেন বিজ্ঞান, প্রকৃতিবিষয়ক লেখা, এমনকি গল্পও। পড়া, লেখা আর ভ্রমণের পাশাপাশি দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিকে কর্মরত। বোস-আইনস্টাইন কনডেনসেট বইয়ের জন্য ২০২৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে পেয়েছেন হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার। এছাড়া শিশুতোষ গল্পের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড।