বইটির বিবরণ
ম্যালকম গ্ল্যাডওয়েল তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ও মৌলিক এ বইতে 'টিপিং পয়েন্ট'কে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি এমন একটা জাদুকরি মুহূর্তের কথা বলেছেন, যখন আইডিয়া, প্রবণতা এবং সামাজিক আচরণ একটা চৌকাঠ অতিক্রম করে এবং দাবানলের মতো ছড়িয়ে যায়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চারপাশে যেসব পরিচিত ঘটনা ঘটে, গ্ল্যাডওয়েল তার পেছনের বিষয়গুলো দেখেন এবং দ্রুত পরিবর্তনের পেছনে যে কারণ আছে সেই অসাধারণ সোশ্যাল ডাইনামিক্সকে ব্যাখ্যা করেন। ""দি টিপিং পয়েন্ট' কিছু গভীর চিন্তা উদ্রেককারী যুক্তি ও অন্তর্দৃষ্টি উপস্থাপন করে... অসাধারণ।" সানডে টেলিগ্রাফ "এখানে অনেক কিছুই আছে যা আপনাকে চমকে দেবে...এটা এমন এক ধরনের বই যা থেকে বেশ কিছু ছোটোখাটো কৌতূহলোদ্দীপক টুকরো বিষয় নিয়ে আপনি আগামী কয়েক সপ্তাহ আপনার বন্ধুদের আনন্দ দিতে পারবেন।" স্কটল্যান্ড অন সানডে "আইডিয়ার যে গুণ থাকলে তাকে বাস্তবায়ন করা যায় গ্ল্যাডওয়েল একটা আইডিয়াকে সেই গুণটি প্রদান করতে পারেন। এখানে তিনি একটি অসাধারণ আইডিয়া নিয়ে এমন একটি চমৎকার বই লিখেছেন, যার পাতা আপনাকে উলটাতেই হবে। এই বই একজন চিন্তাশীল মানুষকে তার চারপাশের জগৎকে নিয়ে নতুন করে ভাবায়।" Liar's Poker-এর লেখক মাইকেল লুইস
লেখকের পরিচিতি

ম্যালকম টিমোথি গ্ল্যাডওয়েল সিএম (জন্ম: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৩ ফারেহাম, যুক্তরাজ্য) একজন কানাডিয়ান সাংবাদিক, লেখক এবং পাবলিক স্পিকার। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে দ্য নিউ ইয়র্কারের একজন স্টাফ লেখক। তিনি সাতটি বই প্রকাশ করেছেন। তিনি পডকাস্ট সংশোধনবাদী ইতিহাসের হোস্ট এবং পডকাস্ট কোম্পানি পুশকিন ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
অনুবাদকের পরিচিতি

সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, জন্ম ১৯৬৩ সালে। গ্রাম, মফস্বল ও শহরের নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল ও কলেজ জীবন অতিবাহিত করে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়ন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে ১৯৯৩ সালে তিনি যোগ দেন বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও শহরের বেশ কিছু কলেজে শিক্ষকতা করার পর তিনি লিয়েনে সৌদি আরবের কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। লিয়েন থেকে ফিরে এসে মাউশির চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক নিযুক্ত হন তিনি। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনি যথাক্রমে নায়েমের মহাপরিচালক ও মাউশির মহাপরিচালকের পদ অলংকৃত করেন। ২০২২ সালে অবসর গ্রহণের পর থেকে তিনি জাতিসংঘের শিশু, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষ সংস্থা ইউনিসেফের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। লেখালেখির জগতে তাঁর পদচারণার সময়টা নাতিদীর্ঘ হলেও একাডেমিক ক্ষেত্রে তাঁর প্রকাশনার সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। শিক্ষা বিষয়ক তাঁর প্রায় ২০টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত ও উদ্ধৃত হয়েছে। এছাড়া, তাঁর কিছু উল্লেখযোগ্য গবেষণা অভিসন্দর্ভও রয়েছে। ইতিপূর্বে প্রকাশিত তাঁর বইয়ের সংখ্যা ৩টি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত প্লেটো : দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা, অবসর থেকে প্রকাশিত অস্তিত্ববাদের স্রষ্টা সোরেন কিয়ের্কেগার্দ এবং বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি দিবালোকে দুঃস্বপ্ন। এগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বইটি প্রথম আলো নির্বাচিত তরুণদের শ্রেষ্ঠ ১০টি বইয়ের তালিকায় স্থান করে নেয়। নতুন শিক্ষাক্রম : শিক্ষকের ভূমিকা তাঁর লেখা চতুর্থ বই।